ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে রাকিব হাসান (২০) নামের এক যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার সোহাগী ইউনিয়নের হাটুলিয়া গ্রামের নিজের ঘর থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও নিহত যুবকের চাচা রফিকুল ইসলাম জানান, রাকিব হাসান ওই এলাকার মো. আব্দুস ছালামের ছেলে। তাঁর মা-বাবা ঢাকায় একটি খামারে কাজ করেন। রাকিবও সেখানেই থাকতেন। সম্প্রতি বাড়িতে এসে তিনি আর ঢাকায় ফিরে যাননি। বাড়িতে একাই থাকতেন এবং নিজেই রান্নাবান্না করে খেতেন।
আজ দুপুরে রাকিবের ফুফু ঘরের দরজায় ধাক্কা দিয়ে দেখেন, তা খোলা। তিনি ঘরে ঢুকে দেখতে পান, খাটের ওপর রক্ত এবং রাকিবের মুখ বালিশ দিয়ে ঢাকা।
পরে বালিশ সরিয়ে দেখেন রাকিবের গলাকাটা নিথর দেহ পড়ে রয়েছে। তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রতিবেশী জানান, রাকিব ভালো ছেলে ছিল। তবে রাতে তাঁর বাসায় বন্ধুবান্ধব আসতেন, আড্ডা দিতেন। তাঁদের মধ্যে সন্দেহজনক কয়েকজনকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওবায়দুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রাকিব নামের এক যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য তাঁর লাশ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’